ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এনএমসির মেডিকেল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড রেটিং বোর্ড শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল এক্সেলেন্সের অনুমতি প্রত্যাহার করে নেয়।
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে নিট-আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কাশ্মীরের ৪২ মুসলিম শিক্ষার্থী ওই কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া একটি আসনে শিখ এবং সাতটি আসনে হিন্দু শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পান।
এরপর ২২ ডিসেম্বর কলেজ বন্ধের দাবিতে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন শ্রী বৈষ্ণো দেবী সংঘর্ষ সমিতি বিক্ষোভ শুরু করে।
মুসলিম শিক্ষার্থীদের ভর্তির প্রতিবাদ জানিয়ে সংগঠনটি কলেজ বন্ধকে ‘সাফল্য’ হিসেবে উদযাপন করে।
তাদের নেতারা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তবে এনএমসি দাবি করেছে, হঠাৎ পরিদর্শনে কলেজটি ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
এনএমসি জানিয়েছে, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অন্য মেডিকেল কলেজে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।
এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল কনফারেন্সসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
এনসির নেতারা বলেন, শিক্ষা বিভাজনের নয়, ঐক্যের মাধ্যম হওয়া উচিত।
পিডিপি নেতারা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির কারণেই জম্মু বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে।
তাদের মতে, ৫০টি এমবিবিএস আসন বাতিল হওয়া অঞ্চলের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক আঘাত।
উল্লেখ্য, শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯৯ সালে বিধানসভায় বিল পাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।